হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে
তবুও বারো বারের বিফলতার পর
সেদিন ভোরে কাঞ্চনজঙ্ঘা লালে লাল
টুপ করে লাফ দিয়ে সূর্য ওঠার আগে
তুমি এলে
শিখরে দাঁড়িয়ে মহারানীর মতো।
সাদা শাড়ী, সবুজ পাড়ে আর
মাথায় রুমাল।
কি যন্ত্রণা
কারা যে এসব রটায়
তেরো সংখ্যাটা নাকি শুভ নয়।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
কোমর ছাড়িয়ে মাটির দিকে ধেয়ে।
কোপাই নদীর মতো কর্ণ কুন্তল
আঁকা বাঁকা পথে।
চওড়া ভুরুর নিচে
গভীর সমুদ্র, উজ্বল অন্ধকার।
শ্রাবস্তীর কারুকার্য ব্যাপার টা বাড়াবাড়ি ছিল
দেখেননি তোমাকে, তাই লিখেছিলেন।
ক্ষমা করে দিও।
সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
বৃষ্টি নামে
শব্দের, মুহূর্তের বৃষ্টি
যে শব্দগুলো অনেকদিন কাছে আসেনি
ধরা দেয় বুকে, আঁকড়ে ধরে।
আলমারির গোপনে গুছিয়ে রাখা খাতা
বার করি টেনে,
পেয়ে যাই হারিয়ে ফেলা ফাউন্টেন পেন।
শুরু করি লেখা
সব না লেখা চিঠি,
পেয়ে যাবে সূর্যাস্তের আগে।
